ঢাকা টু কুমিল্লা দূরত্ব কত কিলোমিটার? কিভাবে যাবেন এবং ভাড়া কত?

ঢাকা থেকে কুমিল্লা শহর পর্যন্ত রাস্তা ভেদে দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। ট্রেন বা বাস গাড়ির মাধ্যমে খুব সহজে ২-৩ ঘন্টার মধ্যে পৌছে যাওয়া যায়। ট্রেন এবং বাস গাড়ির ভাড়া ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন ভেদে।
 
টিকপ্রেস তথ্য ভান্ডার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম!
সম্মানিত পাঠক, আমি O.F SAGOR একজন প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার। আজকে TickPress এর এই আর্টিকেল বা পোস্টের মাধ্যমে, DHAKA TO CUMILLA বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন, নিচে স্টেপ বাই স্টেপ উল্লেখ করা হলো কনটেন্ট টেবিলের মাধ্যমেঃ
 
কন্টেন্ট টেবিলঃ
নিচের যে কোন পয়েন্টে ক্লিক/টাচ করলে, অটো ঐ পয়েন্টের সেকসনে চলে যাবে।
  1. ☛ ঢাকা টু কুমিল্লার দূরত্ব কত কিলোমিটার?  
  2. ☛ ঢাকা থেকে কুমিল্লা কিভাবে যাবেন?  
  3. ☛ ঢাকা থেকে কুমিল্লা ট্রেন নাকি বাস গাড়ি কোনটা বেসি সুবিধা হবে?  
  4. ☛ ঢাকা টু কুমিল্লা কি কি বাস গাড়ি দিয়ে যাওয়া যায় এবং শর্ট রিভিউ  
  5. ☛ ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেন বা বাস গাড়ির কাউন্টার লোকেশন  
  6. ☛ Dhaka To Cumilla যেতে যানবাহন অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া কত পরবে?  
  7. ☛ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে কতক্ষণ সময় লাগবে?  
  8. ☛ ঢাকা থেকে কুমিল্লা শহর পর্যন্ত যাওয়ার পথে কোন কোন বাস স্টেশন বা জায়গা গুলো দেখতে পাবেন?
  9. ☛ শেষ কথা
 

ঢাকা টু কুমিল্লা দূরত্ব কত কিলোমিটার?

ঢাকা থেকে বা ঢাকা টু কুমিল্লা শহর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার, জায়গা এবং রাস্তা ভেদে কিছুটা কম বেশি হতে পারে। যদি আপনি কুমিল্লা শাসনগাছা হয়ে প্রবেশ করেন তাহলে ৯৭ কিলোমিটার, এবং যদি আপনি কুমিল্লা পাদুয়ার বাজার বিস্বরোড হয়ে প্রবেশ করেন সেক্ষেত্রে প্রায় ১০০ কিলোমিটার।

নিচে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য শেয়ার করা হয়েছে, যার ফলে আপনি জানতে পারবেন ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লার বিভিন্ন জায়গা পর্যন্ত দূরত্ব কত কিলোমিটার।
 
১ম রাস্তা কুমিল্লা শাসনগাছাঃ
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা শাসনগাছা রাস্তা হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল দূরত্ব প্রায় ৯১ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা শাসনগাছা রাস্তা হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৯২ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী বাস স্টপ থেকে কুমিল্লা শাসনগাছা হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৮৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা শাসনগাছা রাস্তা হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ১০৯ কিলোমিটার।
২য় রাস্তা কুমিল্লা পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোডঃ
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা বিশ্বরোড হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৯৮ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে বিস্বরোড হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৯৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা বিস্বরোড হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ১১৫ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী বাস স্টপ থেকে কুমিল্লা বিস্বরোড হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৯৩ কিলোমিটার।
  • ঢাকা সায়দাবাদ বাস স্টপ থেকে কুমিল্লা বিস্বরোড হয়ে শহরে প্রবেশ করলে, টোটাল প্রায় ৯৫ কিলোমিটার।
ছোট্ট একটি টিপসঃ গুগল ম্যাপ এপ ব্যবহার করে ওপরের ম্যাপের মত তথ্য, আপনি নিজেও বের করতে পারবেন। তাই প্রথমে গুগল ম্যাপ এপটি ওপেন করুন, এবং আপনি যে জায়গাটির দূরত্ব বের করতে চান, সেই জায়গার নাম লিখে সার্চ করুন, এবং ডাইরেকশনে টাচ করলেই কত কিলোমিটার দূরত্ব তা দেখতে পাবেন।
 

ঢাকা থেকে কুমিল্লা কিভাবে যাবেন?

আপনি মূলত কয়েকটি উপায়ে ঢাকা টু কুমিল্লা যেতে পারবেন, যেমনঃ
  • ট্রেন গাড়ির মাধ্যমে
  • বাস গাড়ির মাধ্যমে
  • প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে এবং
  • মটর বাইক ভাড়া করে।
উপরোক্ত মাধ্যম গুলো থেকে সবচেয়ে বেসি ব্যবহার করা হয় ট্রেন এবং বাস গাড়ি। কারন প্রাইভেট কার এবং মটর বাইকের ভাড়ার খরচ অনেক বেসি হয়ে থাকে।
 

ঢাকা থেকে কুমিল্লা ট্রেন নাকি বাস গাড়ি কোনটা বেসি সুবিধা হবে?

ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার জন্য ট্রেন গাড়ি অথবা বাস গাড়ি দুইটাতেই সুবিধা। তবে, ট্রেন এবং বাসের মধ্যে রেংকে ০১ নম্বরে থাকবে বাস গাড়ি। কারন ট্রেনের মাধ্যমে গেলে সময় অনেকটা বেসি লাগবে, কারন এটা অনেক দূর দিয়ে ঘুরে ঘুরে যাবে। এবং

বাস গাড়ি দিয়ে গেলে খুব কম সময়ে কুমিল্লা পৌঁছে যেতে পারবেন। আরও একটা বিষয়, ট্রেনে যেতে চাইলে শিডিউল রয়েছে, যে কোন সময় মন চাইলেই ট্রেনে যেতে পারবেন না।

অন্য দিকে বাস গাড়ি সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত যখন যাবেন তখনি পাবেন। তবে বিভিন্ন স্পেশাল দিন গুলোতে, যেমন ঈদে যেতে চাইলে রাত ১১ টা পর্যন্ত বাস গাড়ি পেয়ে যাবেন, সে সময়ে প্যাসেন্জারদের আনাগোনা বেসি থাকে।

ট্রেনের তুলনায় বাস গাড়ির মাধ্যমে প্রায় ১-২ ঘন্টা আগে গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন, এটা শুধু মাত্র ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেনে যাওয়ার জন্য প্রযোয্য। তাই আমি রিকমেন্ড করবো, ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে চাইলে, বাস গাড়ি সিলেক্ট করুন, এতে আপনার সময় এবং পয়সা দুইটাতেই সুবিধা হবে।
 
অহ হে, একটি সতর্ক বার্তাঃ মনে রাখবেন, যে মাধ্যমেই যাওয়া আসা করেন না কেনো, অপরিচিত কেউ কিছু খেতে স্বাদলে খাবেন না। এবং অবশ্যই সংগে খাবার পানি রাখার চেষ্টা করবেন। এশিয়া এয়ারকন গারির মাধ্যমে গেলে কতৃপক্ষ থেকে ছোট ইনটেক পানির বোতল প্রত্যেক প্যাসেন্জারগন পেয়ে যাবেন।
 

ঢাকা টু কুমিল্লা কি কি বাস গাড়ি দিয়ে যাওয়া যায় এবং শর্ট রিভিউ

ঢাকা থেকে কুমিল্লায় যাওয়ার জন্য বেস কিছু বাস গাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে নরমাল এবং ViP এয়ারকন দুই ধরনের বাস গাড়ি পেয়ে যাবেন। ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়া আসা করে এমন কিছু বাস গাড়ির নাম ছবি সহ নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
 
  • এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাস গাড়িঃ এটি একটি ViP গাড়ি, কাউন্টারে গিয়ে টিকেট কাটতে হয় এবং সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট পর পর একটি বাসের সিরিয়াল আসে। স্পিড লিমিটে রেখে চলে, এই গাড়ির ড্রাইভার নরমালি অনেক দক্ষ হয়ে থাকে এবং স্টাফদের ব্যবহার খুব ভালো। ঢাকা থেকে কুমিল্লা থেকে ঢাকা এই গাড়ির চাহিদা যথেষ্ঠ ভালো।

  • এশিয়া নন-এয়ারকন বা এসি ছাড়া বাস গাড়িঃ এটি একটি নন-এয়ারকন ViP গাড়ি, কাউন্টারে গিয়ে টিকেট কাটতে হয় এবং সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট পর পর একটি বাসের সিরিয়াল আসে। এই গাড়ির ড্রাইভার নরমালি অনেক দক্ষ হয়ে থাকে তবে মাঝে মাঝে স্পিড ক্রস করে ফেলে এবং স্টাফদের ব্যবহারও যথেষ্ঠ ভালো। ঢাকা থেকে কুমিল্লা থেকে ঢাকা এই নন-এসি গাড়িটির চাহিদাও কম নয়।

  • রয়েলকোচ এয়ারকন বা এসি বাস গাড়িঃ এটিও একটি ViP Aircon গাড়ি, কাউন্টারে গিয়ে টিকেট কাটতে হবে এবং সর্বোচ্চ ২০ মিনিট পর পর একটি বাসের সিরিয়াল আসে। স্পিড লিমিট ঠিকঠাক, এই গাড়ির ড্রাইভারও অনেক দক্ষ হয় এবং স্টাফদের ব্যবহার অসাধারন। কুমিল্লা থেকে যারা দেশের বাইরে যায় তাদের প্রথম পছন্দ এই গাড়িটি, কারন এই গাড়িটি রাজধানী ঢাকার এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সার্ভিস দিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা থেকে ঢাকা এই গাড়ির চাহিদাও যথেষ্ঠ দেখবার মত।

  • মিয়ামি এয়ারকন বা এসি বাস গাড়িঃ এটিও একটি ViP Bus, কাউন্টারে গিয়ে টিকেট কাটতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর পর একটি বাসের সিরিয়াল আসে। এই গাড়ির ড্রাইভারও কিন্তু বেস দক্ষ, সাথে অন্য স্টাফদের ব্যবহার খুবই ভালো। ঢাকা থেকে কুমিল্লা থেকে ঢাকা এই গাড়ির চাহিদাও খুব তুংগে রয়েছে।

  • তিশা নন-এয়ারকন বাস গাড়িঃ এটি কোন স্পেশাল গাড়ি নয়, সায়দাবাদ যাত্রাবাড়ী গেলেই এই বাস গাড়ির দেখা পাবেন। এই গাড়ি দিয়ে কুমিল্লায় যেতে পারবেন ঠিকি তবে এটি মেইন শহরে প্রবেশ করে না, কুমিল্লা কেন্টনমেন্ট হয়ে এবং দেবিদ্বার হয়ে কোম্পানীগন্জ বাজারে গিয়ে থামে। ভাড়া কম হওয়ার কারনে চাহিদা অনেক রয়েছে।

  • তিশা প্লাস নন-এয়ারকন বাস গাড়িঃ এটি নরমাল তিশা থেকে একটু বেসি ভালো, সায়দাবাদ যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর এবং আরামবাগ গেলেই এই বাস গাড়িটির দেখা মিলবে। তবে এই গাড়ি দিয়ে কুমিল্লা শহরে প্রবেশ করতে পারবেন। এটির ভাড়াও কম হওয়ার কারনে প্রচুর চাহিদা রয়েছে এই গাড়িটির।


ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেন বা বাস গাড়ির কাউন্টার লোকেশন

ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার জন্য ট্রেন এবং কিছু বাস গাড়ি রয়েছে, এর মধ্যে ট্রেন, এয়ারকন, নন এয়ারকন, ভি,আই,পি এবং লোকাল বাসের কাউন্টারের লোকেশন কোথায় এই পার্টে জানতে পারবেন। আমি স্টেপ বাই স্টেপ প্রতিটি বাসের কাউন্টার ঠিকানা এবং লিংকআপ করে দিবো গুগল ম্যাপের, যার ফলে জায়গা চিনতে না পারলেও ম্যাপ ডাইরেকশন ধরে বাস কাউন্টার পর্যন্ত পৌছে যেতে পারবেন খুব সহজে। চলুন কাউন্টার সম্পর্কে নিচে স্টেপ বাই স্টেপ জেনে নেইঃ
 

1● এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাস গাড়ির কাউন্টারঃ ঢাকা টু কুমিল্লা এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাস গাড়ির মাধ্যমে যেতে চাইলে, আপনাকে কাউন্টারে সরাসরি গিয়ে টিকেট কাটতে হবে। এই বাস গাড়ির কাউন্টার আপনি রাজধানী ঢাকার আরামবাগ এবং কমলাপুর বাস স্টপে গেলে পেয়ে যাবেন।

 
 এশিয়া নন-এয়ারকন বাস গাড়ি বা এসি ছাড়া বাস গাড়ির কাউন্টারঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা এশিয়া নন-এয়ারকন বাস গাড়ি দিয়ে যেতে চাইলে, আপনাকে আরামবাগ এবং কমলাপুরেই যেতে হবে, একটি কাউন্টারেই এসি এবং নন-এসি দুটি বাস গাড়ির টিকেট কাটতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, নন-এসি গাড়ির ভাড়া এবং এসি গাড়ি ভাড়ার মধ্যে খুব বেসি তফাৎ নেই, তাই আমি রিকমেন্ড কমেন্ড করবো, ঢাকা টু কুমিল্লা যাওয়ার সময় এসি গাড়ি ব্যবহার করুন।
 
  • এশিয়া নন-এয়ারকন বা এসি ছাড়া বাসের কাউন্টার গুগল ম্যাপ লোকেশনের জন্য, পূর্বের ০১ নম্বর সিরিয়ালটি ফলো করুন, কারন এসি এবং নন এসি বাস গাড়ির কাউন্টার এক জায়গাতেই।
 রয়েলকোচ এয়ারকন বা এসি গাড়ির বাস কাউন্টারঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার জন্য রয়েলকোচ গাড়ির চাহিদা অপরিসীম। এই বাস গাড়ির কাউন্টার পেয়ে যাবেন রাজধানী ঢাকার কমলাপুরে।
 
 
 মিয়ামি এয়ারকন বা এসি গাড়ির বাস কাউন্টারঃ এশিয়া এয়ারকন এবং রয়েলকোচ এয়ারকন বাস গাড়ির মত মিয়ামি এয়ারকন বা এসি গাড়িও সমান তালে জনপ্রিয়।
 
𝟱 তিশা প্লাস গাড়ির বাস কাউন্টারঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার জন্য তিশা প্লাস গাড়ির চাহিদা অপরিসীম, কারন ভাড়া কম। এই বাস গাড়ির কাউন্টার পেয়ে যাবেন রাজধানী ঢাকার কমলাপুর, আরামবাগ এবং টিকাটুলি তে
 
 
𝟲 ঢাকা টু কুমিল্লা ট্রেন গাড়ির কাউন্টারঃ ঢাকা টু কুমিলা যাওয়ার জন্য আপনি ট্রেন দিয়ে যেতে পারবেন ঠিকি তবে শুধু কুমিল্লার জন্য ট্রেন বরাদ্দ করা নেই। চিটাগংগামি ট্রেন গাড়ির মাধ্যমে আপনি যেতে পারবেন এর ফলে আখাওড়া ট্রেন স্টেশনে নামতে পারবেন। এ জন্য রাজধানী ঢাকার এয়ারপোর্ট বা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠতে হবে।
 
গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ মনে রাখবেন, যে কোন এসি গাড়ির মাধ্যমে জার্নি করার সময়, মাথার ওপর থেকে ভুল করেও এসি বন্ধ করে দিবেন না, যদি বন্ধ করে দেন তাহলে সাফোগেশন হবে এবং গাড়িতে বোমি জনিত সমস্যা হতে পারে।
 


Dhaka To Cumilla যেতে যানবাহন অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া কত পরবে?

ঢাকা থেকে কুমিল্লা ট্রেন গাড়ির মাধ্যমে যেতে চাইলে আপনাকে ভাড়া গুনতে হবে ১০০-৮০০ টাকা, ট্রেনের নরমাল বা ViP সিট অনুযায়ী। (ভাড়া যেকোন সময় বাড়তে বা কমতে পারে, তাই অবশ্যই কাউন্টারে গিয়ে যোগাযোগ করুন)
 
ঢাকা থেকে কুমিল্লা বাস গাড়ির মাধ্যমে যেতে চাইলে ভাড়া গুনতে হবে ১৫০-৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহন ভেদে। নিচে বিভিন্ন বাস গাড়ি অনুযায়ী বাস ভাড়া উল্লেখ করা হয়েছে দেখে নিন।
 
1▪︎ এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ৪০০-৪৫০ টাকা বিভিন্ন চেয়ার বা সিট অনুযায়ী।

  • প্লাটিনাম সিটের ভাড়াঃ এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাসের প্লাটিনাম সিটের ভাড়া গুনতে হবে ৪৫০ টাকা করে জন প্রতি, শুধু ৪ টি প্লাটিনাম সিট বা চেয়ার এভেইলেবল থাকে।

  • রেগুলার সিটের ভাড়াঃ এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাস গাড়ির রেগুলার সিটের ভাড়া গুনতে হবে ৪০০ টাকা জন প্রতি।
2▪︎ এশিয়া নন-এয়ারকন বা এসি ছাড়া বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা নন-এয়ারকন বা এসি ছাড়া বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫০-৩০০ টাকা বিভিন্ন চেয়ার বা সিট অনুযায়ী।
 
▪︎ রয়েলকোচ বা এসি বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা রয়েলকোচ এয়ারকন বা এসি বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ৪০০-৪৫০ টাকা বিভিন্ন চেয়ার বা সিট অনুযায়ী।

  • প্লাটিনাম সিটের ভাড়াঃ এশিয়া এয়ারকন বা এসি বাসের প্লাটিনাম সিটের ভাড়া গুনতে হবে ৪০০-৪৫০ টাকা করে জন প্রতি, শুধু ৪ টি প্লাটিনাম সিট বা চেয়ার এভেইলেবল থাকে।
▪︎ মিয়ামি এয়ারকন বা এসি বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা মিয়ামি এয়ারকন বা এসি বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ৪০০-৪৫০ টাকা বিভিন্ন চেয়ার বা সিট অনুযায়ী। কুমিল্লার সব ViP গাড়ির ভাড়া প্রায় একই থাকে।

𝟱▪︎ তিশা নরমাল বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা তিশা নরমাল বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫০-৩০০ টাকা। এই গাড়ির আলাদা ViP চেয়ার নেই, তাই সামনে, মাঝখানে বা পছনে যেখানেই বসেন না কেনো ভাড়া একই।
 
𝟲▪︎ তিশা প্লাস বাসের ভাড়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা তিশা প্লাস বাসে যেতে চাইলে জন প্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫০-৩০০ টাকা। এই গাড়ির আলাদা ViP চেয়ার নেই, তাই সামনে অথবা পেছনে যেখানেই বসেন না কেনো ভাড়া একই।

নোটঃ যেকোন সময় ভাড়া বাড়তে বা কমতে পারে, তাই আপডেট বাস ভাড়া সম্পর্কে জানতে কাউন্টারে যোগাযোগ করুন।
 

ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে কতক্ষণ সময় লাগবে?

নরমালি ঢাকা টু কুমিল্লা ২-৫ ঘন্টা সময় লাগে বিভিন্ন যানবাহন ভেদে। ট্রেনে গেলে আপনার সময় লাগবে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা এবং বাস গাড়িতে গেলে সময় লাগবে ২ থেকে ৩ ঘন্টা। (ছোট খাট জ্যাম জান জট থাকলে সে ক্ষেত্রে কিছুটা সময় কম বেসি হতে পারে)। জান জট ছাড়া নরমালি কোন বাস গাড়িতে কত সময় লাগে, নিচে ইস্টিমেটেড টাইম বা সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
 
  • ঢাকার আরামবাগ থেকে কুমিল্লা শাশনগাছা পর্যন্ত এশিয়া এয়ারকন, রয়েলকোচ এয়ারকন, মিয়ামি এয়ারকন এবং তিশা প্লাস গাড়ির মাধ্যমে গেলে সময় লাগে এভারেজ প্রায় ৩ ঘন্টা। যানযট বা গাড়ির স্পিডের কারনে কিছুটা কম বেসি হতে পারে, তবে আমার এক্সপেরিয়েন্স হয়েছিলো দের ঘন্টায় যাওয়ার, যদিও এটা খুব রেয়ার।

  • ঢাকার আরামবাগ থেকে কুমিল্লা পাদুয়ার বাজার বিস্বরোড পর্যন্ত এশিয়া এয়ারকন, রয়েলকোচ এয়ারকন, মিয়ামি এয়ারকন এবং তিশা প্লাস বাস গাড়ির মাধ্যমে গেলে সময় লাগে এভারেজ প্রায় ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট। যানযট বা গাড়ির স্পিডের কারনে কিছুটা কম বেসি হতে পারে।
 
মজার তথ্যঃ কুমিল্লায় গিয়ে রসমালাই খেতে কিন্তু ভুলবেন না, কুমিলা মাতৃ ভান্ডার কিন্তু রসমালাইয়ের জন্য খুব বিখ্যাত। একবার খেলে বার বার চাইবেন কনফার্ম, এমনও হতে পারে কুমিল্লার রসমালাইয়ের প্রেমে পরে প্রতি সপ্তাহে কুমিল্লা ট্যুর দিবেন।😃
 

ঢাকা থেকে কুমিল্লা শহর পর্যন্ত যাওয়ার পথে কোন কোন বাস স্টেশন বা জায়গা গুলো দেখতে পাবেন?

ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে যে সব জায়গা বা বাস স্টেশন গুলো দেখতে পাবেন তা নিচে উল্লেখ করা হলো। ঢাকা থেকে রওনা হওয়ার পর ঢাকার ভিতরের অনেক গুলো স্টেশন রয়েছে যেগুলো উল্লেখ করা হয়নি, শুধুমাত্র কুমিল্লার শুরু থেকে যেসব জায়গা রয়েছে সেসব জায়গা গুলো সিরিয়াল বাই সিরিয়াল উল্লেখ করা হয়েছে।
 
দাউদকান্দিঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাবার পথে প্রথমে যে জায়গা বা বাস স্টেশন টি প্রথমে থাকে সেটির নাম দাউদকান্দি বাস স্টপ। দাউদকান্দি কুমিল্লা জেলার একটি নাম করা থানা বা উপজেলার নাম। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দির দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দি পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৪৪ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দি পর্যন্ত প্রায় ৪৩ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দি পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৩৯ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দি পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৫১ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা দাউদকান্দি পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার।
 
গৌরীপুরঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাবার পথে এই গৌরীপুর জায়গা বা বাস স্টেশন টি দেখতে পাবেন। এই জায়গাটি সবার কাছে অনেক পরিচিত, তবে গৌরীপুর কোন থানা নয়। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৫১ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৫৮ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা গৌরীপুর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৭২ কিলোমিটার।
 
ইলিয়টগঞ্জঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাবার পথে এই ইলিয়টগঞ্জ বাস স্টেশন টি আপনি পেয়ে যাবেন। ইলিয়টগঞ্জ কুমিল্লা জেলার একটি নাম করা জায়গা বা বাস স্টপেজ। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬১ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৫৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬৯ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
 
মাধাইয়াঃ ঢাকা টু কুমিল্লা যাবার সময় সিরিয়ালী এই মাধাইয়া স্টেশন পাবেন। এটি এত বেসি নাম করা না হলেও কুমিল্লার মানুষ ভালো ভাবেই চিনতে পারবে। মাধাইয়া হচ্ছে চান্দিনা থানার অধিনস্ত একটি জায়গা। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া বাস স্টপের দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬৮ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৬৪ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা মাধাইয়া পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার।
 
চান্দিনাঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা জার্নি করার সময় এই চান্দিনা বাস স্টেশনটি পাবেন, এই স্টেশনটি কুমিল্লার একটি বেসি পরিচিত জায়গার মধ্যে একটি। চান্দিনা কুমিল্লা জেলার একটি নাম করা থানা বা উপজেলার নাম। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা চান্দিনা বাস স্টপের দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা চান্দিনা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা চান্দিনা পর্যন্ত প্রায় ৭৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা চান্দিনা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৭১ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা চান্দিনা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৯৩ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা চান্দিনা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার।
 
নিমসারঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা গাড়ি দিয়ে যাওয়ার সময় এই নিমসার বাস স্টেশন পাবেন, এটি কুমিল্লার মধ্যে বেসি পরিচিত কুমিল্লার সবচেয়ে বড় কাচা বাজার নামে (নিমসার কাচা বাজার)। নিমসার কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানা অধিনস্ত একটি ইউনিয়ন। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা নিমসার দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা নিমসার পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা নিমসার পর্যন্ত প্রায় ৭৯ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা নিমসার পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৭৬ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা নিমসার পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৯৮ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা নিমসার পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১০১ কিলোমিটার।
 
কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্টঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা শহর পর্যন্ত যাবার পথে কুমিল্লা কেন্টনমেন্ট এর দেখা মিলবে। কুমিল্লা কেন্টনমেন্ট একটি নাম করা জায়গা, অনেক বড় স্টেশন এটি, এখানে আপনি সিলেটে যাবার রাস্তাও পেয়ে যাবেন। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা কেন্টনমেন্টের দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮৩ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১০৫ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা ময়নামতি কেন্টনমেন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১০৮ কিলোমিটার।
 
আলেখারচর বিশ্বরোডঃ ঢাকা টু কুমিল্লা শহর যাবার সময় আলেখারচর বিশ্বরোড বাস স্টেশন টি পেয়ে যাবেন, এটি একটি মোড়, এখান থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন শাসনগাছা হয়ে শহরে যাবেন নাকি পাদুয়ার বাজার বিস্বরোড যাবেন । আলেখারচর বিশ্বরোড কুমিল্লা জেলার একটি নাম করা জায়গার নাম। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোডের দূরত্ব নিচে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
 
  • ঢাকা আরামবাগ থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮৯ কিলোমিটার।
  • ঢাকা কমলাপুর থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রায় ৮৮ কিলোমিটার।
  • ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার।
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১০৭ কিলোমিটার।
  • ঢাকা উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১১০ কিলোমিটার।
 
শাসনগাছাঃ ঢাকা থেকে কুমিল্লা শহর পর্যন্ত শাসনগাছা হলো শেষ বাস স্টেশন। শাসনগাছা কুমিল্লা জেলার একটি সুপরিচিত জায়গা বা বাস স্টপেজের নাম। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে কুমিল্লা শাসনগাছা বাস স্টপের দূরত্ব সবার উপরে ইতিমধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
 

শেষ কথা

আসা করছি Dhaka - Cumilla তথ্য গুলো আপনাদের জেনে ভালো লেগেছে। আমাদের প্রতিটি তথ্য আপডেট এবং চেষ্টা করবো সব সময় আপডেট রাখতে। বিশেষ করে ভাড়ার তথ্য গুলো যে কোন সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই আপডেট করার ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। ভাড়ার তথ্য জানতে অবশ্যই কাউন্টার ভিজিট করবেন, এতে সলিড তথ্য পাবেন।
 
Dhaka To Cumilla বাস ভাড়া ছাড়া অন্য সব তথ্য সব সময় একি রকম থাকবে, তবে পরিবর্তন হলে আমরা যত দূত সম্ভব হয় তা আপডেট করে দিবো। আমাদের তথ্যে কোন প্রকার ভুল আছে বলে মনে হলে, অবশ্যই আমাদের সাথে Contact পেজ থেকে যোগাযোগ করুন। এবং কি ভুল আছে তা উল্ল্যেখ করুন, মনে রাখবেন আপনি শুধু আমাদের উপকার করছেন না, পুরো দেশের মানুষের উপকার করছেন।
 
আমাদের টিপস এবং ট্রিকস এবং নোট গুলো মনে রাখার চেষ্টা করবেন, আশা করি জার্নির সাধারন সমস্যা গুলো হবে না। যদি কোথাও কোন সমস্যায় পরেন, ইমার্জেন্সি হলে বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় হউক না কেনো, ৯৯৯ এ কল দিতে ভুলবেন না, ৯৯৯ একটি সরকারি সার্ভিস।

Enjoyed this article? Stay informed by joining our newsletter!

Comments

You must be logged in to post a comment.

Related Articles